Connect with us

News

এআই এখন মুঠোয়! থ্রি ডিসকভারি দেখালো পথ: ৪০+ স্কুলে ইন্টারনেট সুরক্ষা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাহস যোগানো!

Published

on

এআই এখন মুঠোয়! থ্রি ডিসকভারি দেখালো পথ: ৪০+ স্কুলে ইন্টারনেট সুরক্ষা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাহস যোগানো!

এআই এখন মুঠোয়! থ্রি ডিসকভারি দেখালো পথ: ৪০+ স্কুলে ইন্টারনেট সুরক্ষা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাহস যোগানো!

এআই এখন মুঠোয়! থ্রি ডিসকভারি দেখালো পথ: ৪০+ স্কুলে ইন্টারনেট সুরক্ষা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাহস যোগানো!

Advertisement

১৯শে জুন ২০২৬। ইন্টারনেট আর প্রযুক্তির দুনিয়ায় একটা নতুন সূর্যোদয় বলা চলে। এই দিনে “থ্রি ডিসকভারি” এক বিশাল উদ্যোগ নিল। ৪০টিরও বেশি স্কুলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে রীতিমতো এক বিপ্লব ঘটিয়ে দিল তারা। উদ্দেশ্য? শিক্ষক-শিক্ষিকা আর কচিকাঁচাদের এআই-এর ভালোমন্দ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করা, যাতে তারা নিরাপদে এই প্রযুক্তির ব্যবহার করতে পারে। সত্যি বলতে, আজকের দিনে এর চেয়ে জরুরি কিছু হতে পারে না।

প্রতি বছরই “থ্রি ডিসকভারি” Safer Internet Day বা নিরাপদ ইন্টারনেট দিবসকে কেন্দ্র করে তরুণ প্রজন্মের অনলাইন সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে। আর ২০২৬ সালের থিমটা ছিল একদম সময়ের দাবি। ‘স্মার্ট টেক, নিরাপদ পছন্দ: এআই-এর নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবহার’ – এই বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা হয়েছে জোরকদমে। কেন বলুন তো? কারণ পরিসংখ্যান বলছে, ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের ৮১% নাকি এখন এআই ব্যবহার করে! ভাবুন তো, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কতটা নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে এই প্রযুক্তির উপর! এমন পরিস্থিতিতে তাদের সঠিক দিশা দেখানোটা ভীষণ দরকারি ছিল।

Advertisement

এআই যখন আমাদের বাচ্চাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠছে, তখন এর ক্ষমতা আর ঝুঁকি দুটোই জানা জরুরি। আর তাই “থ্রি ডিসকভারি” এই মহৎ কাজটা করেছে। ৪০টিরও বেশি স্কুলে গিয়ে তারা শুধু বাচ্চাদের নয়, শিক্ষকদেরও এআই-এর সুবিধা আর সম্ভাব্য বিপদগুলো সম্পর্কে হাতে-কলমে শিখিয়েছে। আসলে, এআই-এর ব্যবহার যত সহজ হচ্ছে, এর পেছনে থাকা জটিলতাগুলোও তত পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার।

শুধু কথার কথা নয়, প্রায় ২০০টি ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হয়েছিল! কী সাংঘাতিক ব্যাপার! এই ওয়ার্কশপগুলোতে দলটা খুব সহজভাবে বোঝাল, কীভাবে এআই নিরাপদে আর দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ব্যবহার করা যায়। শুধু তাই নয়, স্কুলগুলোকে দেওয়া হয়েছে একগুচ্ছ ফ্রি শিক্ষামূলক রিসোর্স, যাতে বছরের বাকি সময়েও এআই নিয়ে আলোচনাটা থেমে না যায়। এটা একটা দারুণ পদক্ষেপ, কী বলেন? কারণ এক দিনের আলোচনা তো আর সব কিছু বদলে দিতে পারে না। ধারাবাহিক শিক্ষাই আসল।

Advertisement

এই শিক্ষামূলক উপকরণগুলোতে কী ছিল জানেন? ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট আর চ্যাটবট থেকে শুরু করে এআই ব্যবহারের নৈতিক দিকগুলো – সব কিছুই কভার করা হয়েছে। এমনকি, ChatGPT-কে কেন্দ্র করে একটা বিশেষ অ্যাসেম্বলিও করা হয়েছিল। সেখানে ছেলেমেয়েরা অসম্ভব আগ্রহ নিয়ে অংশ নিয়েছে। একটা উদাহরণ দিই? যুক্তরাজ্যের এক স্কুলে তো একটা ভোডাফোন থ্রি এআই চ্যাটবট সিরিয়াল বাক্সও দেখানো হয়েছিল! এটা দেখেই তো বোঝা যায়, এআই এখন আমাদের জীবনে কতটা মিশে গেছে, এমনকি আমাদের সকালের নাস্তার টেবিলেও এর আনাগোনা! এই ধরনের সৃজনশীল পদ্ধতিই বাচ্চাদের কাছে কঠিন বিষয়কে সহজ করে তোলে।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে “থ্রি ডিসকভারি” প্রায় ২৩,৫০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী এবং ১,৫০০-এরও বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকার কাছে পৌঁছাতে পেরেছে। এই সংখ্যাটা কিন্তু ছোটখাটো নয়, বরং বিশাল একটা প্রভাব ফেলেছে শিক্ষাজগতে। আর শুধু ছাত্রছাত্রী বা শিক্ষক-শিক্ষিকাই নয়, বাবা-মা, যত্নশীল ব্যক্তি এমনকি দাদা-দাদিদের জন্যও দেওয়া হয়েছে বিশেষ পরামর্শ। কারণ ছোটদের ইন্টারনেটের দুনিয়ায় নিরাপদে রাখতে পরিবারের সবার সচেতনতা সমান জরুরি, তাই না?

Advertisement

কুকহ্যাম রাইজ প্রাইমারি স্কুলের ইয়ার ৬-এর শিক্ষিকা এবং কম্পিউটিং লিড, বেকি বন্ডের কথাগুলো শুনলে বিষয়টা আরও পরিষ্কার হবে। তিনি উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন, “থ্রির সাথে কাজ করে আমাদের আইপ্যাড দক্ষতা অভাবনীয়ভাবে বেড়েছে। এটা সত্যিই অসাধারণ একটা অভিজ্ঞতা!” তিনি আরও যোগ করলেন, “ওরা যখনই আসে, আমাদের স্কুল কমিউনিটি ডিজিটাল সাক্ষরতার দক্ষতা বাড়ায় আর নতুন কিছু তৈরি করার সুযোগ পেয়ে ভীষণ খুশি হয়।” তাঁর কথায় স্পষ্ট, এই উদ্যোগগুলো শুধু তত্ত্বগত জ্ঞান দিচ্ছে না, ব্যবহারিক দক্ষতাও বাড়াচ্ছে।

এ বছরের Safer Internet Day-তে বাচ্চারা এআই নিয়ে দারুণ সব বিজ্ঞাপন আর নিউজ-রিল তৈরি করেছে। তারা নিজে হাতে কাজ করেছে, ভেবেছে এআই কীভাবে সময় বাঁচায়, আবার এর ত্রুটিপূর্ণ তথ্য বা পক্ষপাতিত্বের ঝুঁকিগুলোই বা কী কী! এটা কিন্তু বাচ্চাদের জন্য অনেক বড় একটা শিক্ষা। নিজেরা বিশ্লেষণ করে ভালো-মন্দ বিচার করতে শেখা, এর চেয়ে বড় অর্জন আর কী হতে পারে?

Advertisement

সত্যি বলতে, এই ধরনের উদ্যোগ ছাড়া এআই-এর মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির যুগে নিরাপদে পথ চলাটা বেশ কঠিন। “থ্রি ডিসকভারি” যে একটা দারুণ কাজ করছে, সেটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তারা শুধু প্রযুক্তি শেখাচ্ছে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা নিরাপদ ডিজিটাল বিশ্ব গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। আর এটা তো শুধু শুরু। ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার জন্য এই ধরনের শিক্ষা আরও বেশি প্রয়োজন, আরও অনেক বেশি স্কুলে।

Advertisement

সুত্রপাত: threemediacentre.co.uk

Advertisement

গুগলে আমাদের আপডেট পেতে:

Add amir info bangla as a Preferred Source Google Preferred
Continue Reading
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement